নিবন্ধন নির্দেশিকা ও নিয়মাবলী

(লেখক: অজ্ঞাত)

‘জাতীয় কবিতা উৎসব ২০২৫’-এ স্বরচিত কবিতা পাঠের জন্য ফ্রি নিবন্ধন চলছে।

‘স্বাধীনতা সাম্য সম্প্রীতির জন্য কবিতা’— এই স্লোগান ধারণ করে আগামী ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে ‘জাতীয় কবিতা উৎসব ২০২৫’।

জাতীয় কবিতা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এ উৎসব উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)’র দোতলায় ‘শহীদ মুনীর চৌধুরী মিলনায়তন’ সংলগ্ন কক্ষে চালু করা হয়েছে উৎসব দপ্তর। কবিদের নাম রেজিস্ট্রশনসহ উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ চলবে টিএসসি’র দোতলায় এই দপ্তরে। দপ্তর খোলা থাকবে শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত, শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

এবারের উৎসবে যারা কবিতা পড়বেন তাদের জন্য ‘রেজিষ্ট্রেশন ফি’ ফ্রি করে দেয়া হয়েছে। নিবন্ধনকৃত কবিগণ একটি করে স্বরচিত নাতিদীর্ঘ কবিতা (আনুমানিক ২০ লাইন) পাঠ করতে পারবেন। পঠিত কবিতাগুলো থেকে উৎসবোত্তর একটি নির্বাচিত কবিতা সংকলন প্রকাশ করা হবে।

অনলাইন নিবন্ধনের সময় ফর্মটি যথাযথভাবে পূরণ করে দু’টি স্বরচিত কবিতা ও অন্যান্য ডকুমেন্টস আপলোড করতে হবে। অন্যদিকে, উৎসব দপ্তরে এসে নিবন্ধনের সময় দু’টি স্বরচিত কবিতার দু’টি করে কপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও এনআইডি/জন্মনিবন্ধনের কপি জমা দিতে হবে।

নিবন্ধনকারীর করণীয়:

১) নিবন্ধন ফর্ম জমা দেয়ার সময় নিবন্ধন নম্বর নিয়ে নেয়া (অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ই-মেইল আইডি-ই নিবন্ধন নম্বর)

২) ৩০ বা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে উৎসব দপ্তরে যোগাযোগ করে কবিতা পাঠের সম্ভাব্য পর্বসূচি/সময়সূচি জেনে নেয়া

৩) নির্ধারিত পর্বসূচি/সময়সূচির অন্তত দুই ঘন্টা আগে উৎসবস্থলে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট বুথ থেকে নিজের নিবন্ধন নম্বর জমা দিয়ে সিলমোহরযুক্ত মনোনীত কবিতাটি সংগ্রহ করা

৪) নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিবন্ধিত কবির নাম ঘোষণা হলে উৎসব-মঞ্চে এসে মনোনীত কবিতাটি পাঠ করা

কবিতা মনোনয়ন ও পাঠ-সংক্রান্ত সাধারণ নির্দেশাবলী

উৎসব কর্তৃপক্ষ জমাকৃত দু’টি কবিতা যাচাই-বাছাই করে সেগুলো থেকে একটি কবিতা মনোনীত করে দিবেন। নিবন্ধিত কবিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনীত কবিতাটি সংগ্রহ করে উৎসব মঞ্চে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী পাঠ করতে হবে।

যা পাঠ করা যাবে না:

১) ফ্যাসিবাদের পক্ষে

২) সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে

৩) দল-পরিবার-গোষ্ঠী-ব্যক্তি বন্দনা

৪) পতিত স্বৈরাচারের বন্দনা

৫) দলীয় বা ধর্মীয় উস্কানিমূলক

৬) স্বাধীনতা বিরোধী

৭) জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান বিরোধী