কবিতার সাথে আমার পরিচয় গ্রামীণ অমল বাতাসে সুতীব্র তেজ নিয়ে পরম পলিমাটি ভেদ করে বরবটি,
মুকুটশোভিত দুই রাজা, এবং একজন যে একা দণ্ডায়মান তার মাথা ঘিরে সবুজ লরেলখচিত মুকুটমাল্যভার নেই,
যদি আবার জন্মাই ভালোবেসে বৃক্ষ হবো-পাতার বিনয় ঘাস হবো নিরন্তর-পায়ের আশ্রয় ভালোবেসে বাতাসের বেগ হবো
যতক্ষণ না আমাতে যুক্ত হও প্রবহমান পদ্মা পলির উর্বর আমি হয়ে উঠবো না সুন্দরবন যতক্ষণ
কোনোদিন কেউ হেরে যায় আর কোনোদিন কেউ জেতে, একদিন আমি হেরে যাই খুব শুয়ে থাকি
খাইবারপাস তো দুঃখে-সুখে পেরলুম এবং মনে মনে আশা করলুম এইবার গরম কমবে। কমল বটে, কিন্তু
“…পরে শব্নমের কাছ থেকেই শুনেছি, আমি নাকি জাত-ইডিয়টের মত শুধু বিড়বিড় করে কি যেন একটা
সব ভুল ইতিহাস হয় না কিছু কিছু ভুল কবিতাও হয়ে যায়! শুক্লা পঞ্চমীর চাঁদ জাগিয়ে
“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
কী সব দিন ছিল আমার! ঐশ্বর্যময় সদাশয় একেকটি মোদক দিন। পট্টময় সময়ের ভাঁজ থেকে আলতো