যদি আবার জন্মাই ভালোবেসে বৃক্ষ হবো-পাতার বিনয় ঘাস হবো নিরন্তর-পায়ের আশ্রয় ভালোবেসে বাতাসের বেগ হবো
তোকে বৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই শুরু করলি মেঘ নিয়ে কাড়াকাড়ি ধূসরের প্রতি তোর এই
কতোটা দুঃখ পেলে রাতগুলো মেঘ হয় হাই তোলে ভোরের হাঙ্গর বাতাসের শীষগুলো পাখি হয়ে দুপুর
এখন আমরা দুজনে প্রচ- প্রতিকূলে দগ্ধ হচ্ছি আমাদের সময় নেই-অসময়ও নেই- নগরীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে একবারও
কিছু মনে থাকবে না জানি শেষ হয়ে যাবে সব আকাশে মিলিয়ে যাবে বিকেলের রোদ এই
কোনো একদিন উত্তপ্ত লোহার ঘর্ষণে প্রতিশ্রুতির শরীর ভেঙে প্রার্থনার শেষ উচ্চারণ বিনষ্ট বাতাসের মতো প্রবল
অনেক দিনের অনেক যত্নে কমিয়েছি সন্ত্রাস। এদিকে আমার ছুটি শেষ হ’ল প্রায়, আজ তিনটেতে গাছ
মহাসাগরের নামহীন কূলে হতভাগাদের বন্দরটিতে ভাই, জগতের যত ভাঙা জাহাজের ভিড়! মাল বয়ে -বয়ে ঘাল
পরের দুয়ারে দাসী বটে আজি, তবু সে মোদেরই মা,— ভুলিবারে চাই সতত সে কথা ;
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটো কথা শোনা দিকি এই নাও- এই চকচকে ছোটো, নুতন