যে যাবে যুদ্ধে এখনি সে উঠুক, উঠুক ঝলসে পিঙ্গল মেঘে ঢাকা শকুন সময় ঠুক্রে ঠুক্রে
দ্রোহ বিদ্রোহ বিপ্লব গণঅভ্যুত্থান দূরে থাক প্রেম কিংবা ভালবাসা চাঁদ কিংবা জ্যোৎস্না নদী নারী নিঃসর্গ
আমার চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা, জিহ্বা সেলাই করা আমি না দেখতে পাই, না শুনতে পাই
এই বাস্তুভিটায় আমার বাবার বসতি ছিলো, ছিলো আমার দাদা ও পূর্বসুরী চৌদ্দপুরুষের! এই যে মাটি—
J’accueillel’aube nouvellesur mon pays. Le rythme de la Natureresponda celui du Coeur dansle plus haut
যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি যে ভাই এখনও
আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে। নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিক সব সংঘ-পরিষদ;— চ’লে
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ
জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই। হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে বাঁচবার অধিকার কাড়তে দাস্যের
করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো