বয়েস- আড়াই কি দুই মনটি নির্মল জুই, হালকা যেন হাওয়া মেয়ে সে মুখ-চাওয়া মায়ের কাছে
কোন দেশেতে তরুলতা সকল দেশের চাইতে শ্যামল? কোন দেশেতে চলতে গেলেই দলতে হয় রে দূর্বা
পালকি চলে! পালকি চলে! গগন-তলে আগুন জ্বলে! স্তব্ধ গাঁয়ে আদুল্ গায়ে যাচ্ছে কারা রৌদ্রে সারা
ছিপখান তিন-দাঁড় – তিনজন মাল্লা চৌপর দিন-ভোর দ্যায় দূর-পাল্লা! পাড়ময় ঝোপঝাড় জঙ্গল-জঞ্জাল, জলময় শৈবাল পান্নার
আতাচোরা পাখিরে কোন তুলিতে আঁকি রে হলুদ ? বাঁশ বাগানে যাইনে ফুল তুলিতে পাইনে কলুদ
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি
বাড়ি করছেন, আশমান-ছোঁয়া বাড়ি করছেন! উনি করছেন, তিনি করছেন, দোতলা তেতলা বাড়ি করছেন। লেনে বাইলেনে
দীপিতা, তোর খেলাঘরে আমায় নিবি না কি? পড়ার ঘরে আর কত ভাই একলা বসে থাকি?
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে।
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে। নদীর কাছে