কবিতার সাথে আমার পরিচয় গ্রামীণ অমল বাতাসে সুতীব্র তেজ নিয়ে পরম পলিমাটি ভেদ করে বরবটি,
যদি আবার জন্মাই ভালোবেসে বৃক্ষ হবো-পাতার বিনয় ঘাস হবো নিরন্তর-পায়ের আশ্রয় ভালোবেসে বাতাসের বেগ হবো
কোনোদিন কেউ হেরে যায় আর কোনোদিন কেউ জেতে, একদিন আমি হেরে যাই খুব শুয়ে থাকি
সব ভুল ইতিহাস হয় না কিছু কিছু ভুল কবিতাও হয়ে যায়! শুক্লা পঞ্চমীর চাঁদ জাগিয়ে
“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
কী সব দিন ছিল আমার! ঐশ্বর্যময় সদাশয় একেকটি মোদক দিন। পট্টময় সময়ের ভাঁজ থেকে আলতো
দ্রোহ বিদ্রোহ বিপ্লব গণঅভ্যুত্থান দূরে থাক প্রেম কিংবা ভালবাসা চাঁদ কিংবা জ্যোৎস্না নদী নারী নিঃসর্গ
সেইতো শ্রেষ্ঠ দিন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল পাশাপাশি বাম হৃৎপিণ্ডের কাছে বসেছিলে তুমি চোখে কথা
[১ আগস্ট, ১৯৫৬ স্মরণে] আমার আলাদা কোনো জন্মদিন নেই। এই বাংলার সবুজ এক গ্রামে ঘাসফড়িং
বহুদিন যাওয়া পড়েনি তোমার কাছে তুমি নিশ্চয় খুব রেগে মেগে আর কখনোই কথা বলবে না