কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের
মনে করো যেন বিদেশ ঘুরে মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে । তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা
মাধব! না কহ আদর বাণী, না কর প্রেমক নাম। জানয়ি ময়কো অবলা সরলা ছলনা না
কাস্তে দাও আমার এ হাতে সোনালী সমুদ্র সামনে, ঝাঁপ দেব তাতে। শক্তির উন্মুক্ত হাওয়া আমার
ওখানে এখন মে-মাস তুষার-গলানো দিন, এখানে অগ্নি-ঝরা বৈশাখ নিদ্রাহীন; হয়তো ওখানে শুরু মন্থর দক্ষিণ হাওয়া;
আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে, জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে। শালি
গীতারা কোথায় গেলো, আহা সেই পুতুলের মতো রাঙা টুকটুকে মেয়ে। দেখলে তাহারে মায়া মমতার ধারা
কেউ নেই – না সামনে না পিছনে দু’পাশেও শূন্যতা বিশাল তবে কি আমি একা? কবিরা
দিয়েছ জলের স্পর্শ, শরীরে চাঁদের চুম্বন এই নদী বড় হোক আরও.. সাগরে মেশার আগে ফিরে
ঘাসের জানালা দিয়ে অপলক শরৎ জোছনায় জেগে ওঠে শিশিরের মুখ মরালের চোখগুলো জলের করোটি ছায়া