আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ন নৃত্য দেখি… লিখেছেন- কবি
তোমার বাড়ির পেছনে যে বাঁশঝাড়, তার পাশেই ঝরে পড়ে সোনালু ফুল, গন্ধমাদন ঢিবির মতো ফুলে-ফেঁপে
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে) শ্যামলদা সাংবাদিক মানুষ। অনিয়ম, অযত্ন ও অতিশ্রমে স্বাস্থ্য যেনো শীতকালের শীর্ণ মগড়া
ক্রিটোর বাড়িতে অনুষ্ঠিত জ্ঞানসভায় নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করে নিজগৃহে ফিরলেন মহামতি সক্রেটিস। ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরটাকে
মানুষের পৃথিবীতে কোনো অন্ধকার নেই। মানুষের চারপাশে শুধুই আলো এবং আলেয়া! আলোর উৎসেও ভালোবাসা নামক
এই বাস্তুভিটায় আমার বাবার বসতি ছিলো, ছিলো আমার দাদা ও পূর্বসুরী চৌদ্দপুরুষের! এই যে মাটি—
(দুর্ভিক্ষপীড়িত সন্তানকে স্তন্যদানের চেষ্টায় হাড্ডি-চর্মসার অজানা এক মায়ের উদ্দেশ্যে) মা, ওরা বলে এটা নাকি ঈশ্বরের
ফেরাও হে চিত্তভ্রংশ জাতিস্মর ফেরাও এবার সকাম সন্ন্যাস! মৈনাক ফেরাও, ওহে ভোলানাথ ঈশান থেকেও উত্তরে
আমার একটা দুঃখনদী আছে— বেতস সাপের মতো আঁকাবাঁকা সবুজ দুঃখনদী! সে নদীর দেহ জুড়ে কাকচক্ষু
বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো? তোমার পিতা, মাতা, ভ্রাতা অথবা ভগ্নীকে? পিতা,