আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে, জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে। শালি
কৃষাণী দুই মেয়ে পথের কোণে দাঁড়িয়ে হাসে আমার পানে চেয়ে। ওরা যেন হাসি খুশীর দুইটি
গভীর রাতের কালে, কুহেলী আঁধার মূর্ছিত প্রায় জড়ায়ে ঘুমের জালে। হাসপাতালের নিবিয়াছে বাহি; দমকা হাওয়ার
আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির
কি করে আদিল সময় কাটাবে? নানা সন্দেহ ভার, দহন বিষের তীর বিঁধাইয়া হানিতেছে প্রাণে তার।
গীতারা কোথায় গেলো, আহা সেই পুতুলের মতো রাঙা টুকটুকে মেয়ে। দেখলে তাহারে মায়া মমতার ধারা
নতুন চাষা ও নতুন চাষাণী পাতিল নতুন ঘর, বাবুই পাখিরা নীড় বাঁধে যথা তালের গাছের
এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে