তোকে বৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই শুরু করলি মেঘ নিয়ে কাড়াকাড়ি ধূসরের প্রতি তোর এই
কতোটা দুঃখ পেলে রাতগুলো মেঘ হয় হাই তোলে ভোরের হাঙ্গর বাতাসের শীষগুলো পাখি হয়ে দুপুর
কেউ নেই – না সামনে না পিছনে দু’পাশেও শূন্যতা বিশাল তবে কি আমি একা? কবিরা
দিয়েছ জলের স্পর্শ, শরীরে চাঁদের চুম্বন এই নদী বড় হোক আরও.. সাগরে মেশার আগে ফিরে
ঘাসের জানালা দিয়ে অপলক শরৎ জোছনায় জেগে ওঠে শিশিরের মুখ মরালের চোখগুলো জলের করোটি ছায়া