অনেক দিনের অনেক যত্নে কমিয়েছি সন্ত্রাস। এদিকে আমার ছুটি শেষ হ’ল প্রায়, আজ তিনটেতে গাছ
আমি নহি পুরূরবা। হে উর্বশী, ক্ষনিকের মরালকায় ইন্দ্রিয়ের হর্ষে, জান গড়ে তুলি আমার ভুবন? এসো
আমায় যদি হঠাৎ কোনো ছলে কেউ ক’রে দেয় আজকে রাতের রাজা, করি গোটাকয়েক আইন জারি
এক যে ছিল তেপান্তর করত কেবল ধু ধু। চাইলে একা থাকার দুঃখে একটি নদী শুধু।
তারপরও কথা থাকে; বৃষ্টি হয়ে গেলে পর ভিজে ঠাণ্ডা বাতাসের মাটি-মাখা গন্ধের মতন আবছায়া মেঘ
হাওয়াই দ্বীপে যাইনি, দক্ষিণ সমুদ্রের কোন দ্বীপপুঞ্জে। তবু চিনি ঘাসের ঘাগরাপরা ছায়া বরণ তার সুন্দরীদের;
মহাসাগরের নামহীন কূলে হতভাগাদের বন্দরটিতে ভাই, জগতের যত ভাঙা জাহাজের ভিড়! মাল বয়ে -বয়ে ঘাল
বইয়ের পাতায় মন বসেনা, খোলা পাতা খোলাই পড়ে’ থাকে, চোখের পাতায় ঘুম আসেনা—- দেহের ক্লান্তি
পরের দুয়ারে দাসী বটে আজি, তবু সে মোদেরই মা,— ভুলিবারে চাই সতত সে কথা ;
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে, নেবুর