হাওয়াই দ্বীপে যাইনি, দক্ষিণ সমুদ্রের কোন দ্বীপপুঞ্জে। তবু চিনি ঘাসের ঘাগরাপরা ছায়া বরণ তার সুন্দরীদের;
মহাসাগরের নামহীন কূলে হতভাগাদের বন্দরটিতে ভাই, জগতের যত ভাঙা জাহাজের ভিড়! মাল বয়ে -বয়ে ঘাল
বইয়ের পাতায় মন বসেনা, খোলা পাতা খোলাই পড়ে’ থাকে, চোখের পাতায় ঘুম আসেনা—- দেহের ক্লান্তি
পরের দুয়ারে দাসী বটে আজি, তবু সে মোদেরই মা,— ভুলিবারে চাই সতত সে কথা ;
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে, নেবুর
পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী! আস্তে একটু চলনা ঠাকুর-ঝি — ওমা, এ যে ঝরা-বকুল !
সোনালি আপেল, তুমি কেন আছ? চুমো খাওয়া হাসির কৌটোয় দাঁতের আভায় জ্বলা লাল ঠোঁটে বাতাস
আকাশে আষাঢ় এলো; বাংলাদেশ বর্ষায় বিহবল। মেঘবর্ণ মেঘনার তীরে-তীরে নারিকেলসারি বৃষ্টিতে ধূমল; পদ্মাপ্রান্তে শতাব্দীর রাজবাড়ি
বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো? তোমার পিতা, মাতা, ভ্রাতা অথবা ভগ্নীকে? পিতা,
কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায়, কেমন করে বলি! কী নির্মল নীল এই আকাশ,