ওখানে এখন মে-মাস তুষার-গলানো দিন, এখানে অগ্নি-ঝরা বৈশাখ নিদ্রাহীন; হয়তো ওখানে শুরু মন্থর দক্ষিণ হাওয়া;
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, আঠারো বছর বয়সেই অহরহ বিরাট
যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুম: সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক, নতুন
একটি মােরগ হঠাৎ আশ্রয় পেয়ে গেলাে বিরাট প্রাসাদের ছােট্ট এক কোণে ভাঙা প্যাকিং বাক্সের গাদায়-
আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে, জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে। শালি
কৃষাণী দুই মেয়ে পথের কোণে দাঁড়িয়ে হাসে আমার পানে চেয়ে। ওরা যেন হাসি খুশীর দুইটি
গভীর রাতের কালে, কুহেলী আঁধার মূর্ছিত প্রায় জড়ায়ে ঘুমের জালে। হাসপাতালের নিবিয়াছে বাহি; দমকা হাওয়ার
আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির
কি করে আদিল সময় কাটাবে? নানা সন্দেহ ভার, দহন বিষের তীর বিঁধাইয়া হানিতেছে প্রাণে তার।
গীতারা কোথায় গেলো, আহা সেই পুতুলের মতো রাঙা টুকটুকে মেয়ে। দেখলে তাহারে মায়া মমতার ধারা