ভালবাসার সময় তো নেই ব্যস্ত ভীষন কাজে, হাত রেখো না বুকের গাড় ভাজে। ঘামের জলে
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি
অনেক ক’রে বাসতে ভালো পারিনি মা তখন যারে, আজ অবেলায় তারেই মনে পড়ছে কেন বারে
মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুন্তে পাই।। আমার গোরের
বল রে বন্য হিংস্র বীর, দুঃশাসনের চাই রুধির। চাই রুধির রক্ত চাই, ঘোষো দিকে দিকে
বল বীর – বল উন্নত মম শির! শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! বল
আমি আমার ভালোবাসার স্বীকৃতি চাই স্বীকৃতি দে, স্বীকৃতি দে, স্বীকৃতি দে, মৃত্যুমাখা মাটির উপর দাঁড়িয়ে
কথা ছিল তিনদিন বাদেই আমরা পিকনিকে যাবো, বনভূমির ভিতরে আরো গভীর নির্জন বনে আগুন ধরাবো,
অবশেষে জেনেছি মানুষ একা! জেনেছি মানুষ তার চিবুকের কাছেও ভীষণ অচেনা ও একা! দৃশ্যের বিপরীত
আসলে আমার বাবা ছিলেন নিম্নমানের মানুষ নইলে সরকারী লোক, পুলিশ বিভাগে চাকরী কোরেও পুলিশী মেজাজ