হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
বেলা ব’য়ে যায়, গোধূলির মেঘ-সীমানায় ধূম্রমৌন সাঁঝে নিত্য নব দিবসের মৃত্যুঘণ্টা বাজে, শতাব্দীর শবদেহে শ্মশানের
চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়। আমার ঠোঁট শুকনো হয়ে আসে, বুকের ভেতরটা ফাঁকা
কতটুকু দূরত্ব? সহস্র আলোকবর্ষ চকিতে পার হয়ে আমি তোমার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসি তোমার
যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো আমি বিষপান করে মরে যাবো! বিষন্ন আলোয় এই
ঘুম ভাঙার পর যেন আমার মন ভালো হয়ে যায়। হলুদ-তেল মাখা একটি সকাল, ঝর্নার জলে
কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনি ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান
আমার নিশীথের আধার সিন্ধু পাড়ি দিয়ে এক তরী ফিরদৌস হতে সওগাত লয়ে গগন কিনার ভরি
হে কবি! নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?
আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।