গভীর রাতের কালে, কুহেলী আঁধার মূর্ছিত প্রায় জড়ায়ে ঘুমের জালে। হাসপাতালের নিবিয়াছে বাহি; দমকা হাওয়ার
আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির
কি করে আদিল সময় কাটাবে? নানা সন্দেহ ভার, দহন বিষের তীর বিঁধাইয়া হানিতেছে প্রাণে তার।
গীতারা কোথায় গেলো, আহা সেই পুতুলের মতো রাঙা টুকটুকে মেয়ে। দেখলে তাহারে মায়া মমতার ধারা
নতুন চাষা ও নতুন চাষাণী পাতিল নতুন ঘর, বাবুই পাখিরা নীড় বাঁধে যথা তালের গাছের
এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে
কেউ নেই – না সামনে না পিছনে দু’পাশেও শূন্যতা বিশাল তবে কি আমি একা? কবিরা
দিয়েছ জলের স্পর্শ, শরীরে চাঁদের চুম্বন এই নদী বড় হোক আরও.. সাগরে মেশার আগে ফিরে
ঘাসের জানালা দিয়ে অপলক শরৎ জোছনায় জেগে ওঠে শিশিরের মুখ মরালের চোখগুলো জলের করোটি ছায়া