হে নবীনা, এই মধ্য-ম্যানহাটানে বাতাসের ঝাপটায় তোমার হঠাৎ খুলে যাওয়া উদ্দাম চুল আমার বুকের ‘পর
ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে
অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায় একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছি অপসৃয়মাণ উপকূলে, তিমিরে
একটি কবিতা লেখা হবে। তার জন্যে আগুনের নীল শিখার মতন আকাশ রাগে রী-রী করে, সমুদ্রে
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য
ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত শান-বাঁধানো ফুটপাতে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি
তারপর যে-তে যে-তে যে-তে এক নদীর সঙ্গে দেখা। পায়ে তার ঘুঙুর বাঁধা পরনে উড়ু-উড়ু ঢেউয়ের
এমন অনেক দিন গেছে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থেকেছি, হেমন্তে পাতা-ঝরার শব্দ শুনবো ব’লে নিঃশব্দে
তোমার কথা ভেবে রক্তে ঢেউ ওঠে— তোমাকে সর্বদা ভাবতে ভালো লাগে, আমার পথজুড়ে তোমারই আনাগোনা—
ভীষণ ক্ষুধার্ত আছিঃ উদরে, শরীরবৃত্ত ব্যেপে অনুভূত হতে থাকে- প্রতিপলে- সর্বগ্রাসী ক্ষুধা অনাবৃষ্টি- যেমন চৈত্রের