সব ভুল ইতিহাস হয় না কিছু কিছু ভুল কবিতাও হয়ে যায়! শুক্লা পঞ্চমীর চাঁদ জাগিয়ে
“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
ক্রিটোর বাড়িতে অনুষ্ঠিত জ্ঞানসভায় নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করে নিজগৃহে ফিরলেন মহামতি সক্রেটিস। ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরটাকে
গাছেদের নাম গাছ ধুলোদের নাম ধুলো নদীদের নাম বলতে পারবে গ্রামবাসীরা কিন্তু ঘরের নাম ঘর
বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অর্থ-পদ চায় বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণসিংহাসন জয়ের
ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই চেয়ে দেখো আমার ভিতরে কোথায় নেমেছে ধস, কোথায় নেমেছে
তোমার দুঃখের সাতমহল বাড়ির পুরনো বাসিন্দা বলেই আমি হৈচৈ শামিয়ানার নিচে যাই না, ভালোবাসার জন্য
করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো
আমি কি ধরিত্রীযোগ্য? এই প্রশ্নে কেঁপে ওঠে তার অসুখের ঘূণ-লাগা শরীরের অসি’-মজ্জা হাড়। তাকে ঘিরে
কবিতা লেখার রাত ভিজে গেছে অঘ্রাণের উদাসীনতায়। সব ক্ষীপ্র অত্যুৎসাহে উদ্যোগে ও কর্মকান্ডে আজ লেগে