ঘুম ভাঙার পর যেন আমার মন ভালো হয়ে যায়। হলুদ-তেল মাখা একটি সকাল, ঝর্নার জলে
হে কবি! নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?
আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।
অনেক কথার গুঞ্জন শুনি অনেক গানের সুর সবচেয়ে ভাল লাগে যে আমার ‘মাগো’ ডাক সুমধুর।
সবুজ পাতার খামের ভেতর হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে কোন্ পাথারের ওপার থেকে আনল ডেকে হেমন্তকে?
আমার কাছে এখনো পড়ে আছে তোমার প্রিয় হারিয়ে যাওয়া চাবি কেমন করে তোরংগ আজ খোলো?
ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। এতো কালো মেখেছি দু হাতে এতোকাল ধরে! কখনো তোমার ক’রে, তোমাকে
আতাচোরা পাখিরে কোন তুলিতে আঁকি রে হলুদ ? বাঁশ বাগানে যাইনে ফুল তুলিতে পাইনে কলুদ
অবনী বাড়ি আছো অবনী বাড়ি আছো দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া কেবল শুনি রাতের কড়ানাড়া
মায়ের কাছে সন্তানের অঙ্গীকার, তোমার জন্য কথার ঝুড়ি নিয়ে তবেই না বাড়ি ফিরবো লক্ষী মা,