ধুপকাঠি বেচতে বেচতে কতদুর যেতে পারে একাকী মানুষ? তাকে তো পেরোতে হবে বহু বন, বহু
আমারই ভুলে আজ প্রত্যুষে সুর্য ওঠেনি, পাঁশুটে আকাশে আলোর আকাল আমারই ভুলে মুর্ছিত মেঘ, খোঁপা-ভাঙা
ভালবাসা, সেও আজ হয়ে গেছে ষড়যন্ত্রময়। নন্দিনী! এসব কথা তোমার কখনো মনে হয়? চক্রান্তের মত
ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে
অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায় একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছি অপসৃয়মাণ উপকূলে, তিমিরে
একটি কবিতা লেখা হবে। তার জন্যে আগুনের নীল শিখার মতন আকাশ রাগে রী-রী করে, সমুদ্রে
ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত শান-বাঁধানো ফুটপাতে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি
তোমার কথা ভেবে রক্তে ঢেউ ওঠে— তোমাকে সর্বদা ভাবতে ভালো লাগে, আমার পথজুড়ে তোমারই আনাগোনা—
স্পর্শকাতরতাময় এই নাম উচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে, অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা,- চুনিয়া একটি গ্রাম,
শোনা গেল লাসকাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে— ফাল্গুনের রাতের আঁধারে যখন গিয়েছে ডুবে