আতাচোরা পাখিরে কোন তুলিতে আঁকি রে হলুদ ? বাঁশ বাগানে যাইনে ফুল তুলিতে পাইনে কলুদ
‘কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা, সজনে ডাঁটায় ভরে গেছে গাছটা, আর, আমি ডালের বড়ি
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও- ডাইনি
অনেক ক’রে বাসতে ভালো পারিনি মা তখন যারে, আজ অবেলায় তারেই মনে পড়ছে কেন বারে
কথা ছিল তিনদিন বাদেই আমরা পিকনিকে যাবো, বনভূমির ভিতরে আরো গভীর নির্জন বনে আগুন ধরাবো,
পথের ধারে ছিল পড়ে ছোট্র মতো কী-যে! ন্যাকড়া না কি? পুঁটলি কোনো শুকনো কিংবা ভিজে?
মেঘনা নদীর তীরে যদি একটুখানি যাও, তখন তুমি দেখতে পাবে নানা রূপের নাও। ঢেউয়ের মাথায়
তোমার কাছে যাব বলে পথে নেমে হঠাৎ দেখি সারা শরীর উঠল ঘেমে। ঘাম ঝরছে, নাম
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে।
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে। নদীর কাছে