বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাবো বেণীমাধব, তুমি কি আর আমার কথা ভাবো? বেণীমাধব, মোহনবাঁশি তমাল
অতল, তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারিনি বলে হৃদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে করো আনন্দ আয়োজন
আমার জবাব পেলাম। তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি কিনা? না! আমরা যে সমাজের জীব তারই ধারায়
আমি মমতা থেকে তুলে এনেছিলাম পরিহাস আমি বিষাদ থেকে তুলে এনেছিলাম অশ্রু আমি ঘুম থেকে
সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলাম কিনে এনেছিলাম আকাশী রঙের বিলিতি হাওয়াই চিঠি সে চিঠির অক্ষরে
এক কোটি বছর হয় তোমাকে দেখি না একবার তোমাকে দেখতে পাবো এই নিশ্চয়তাটুকু পেলে- বিদ্যাসাগরের
বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অর্থ-পদ চায় বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণসিংহাসন জয়ের
ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই চেয়ে দেখো আমার ভিতরে কোথায় নেমেছে ধস, কোথায় নেমেছে
তোমার দুঃখের সাতমহল বাড়ির পুরনো বাসিন্দা বলেই আমি হৈচৈ শামিয়ানার নিচে যাই না, ভালোবাসার জন্য
করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো