কী সব দিন ছিল আমার! ঐশ্বর্যময় সদাশয় একেকটি মোদক দিন। পট্টময় সময়ের ভাঁজ থেকে আলতো
তোকে বৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই শুরু করলি মেঘ নিয়ে কাড়াকাড়ি ধূসরের প্রতি তোর এই
কতোটা দুঃখ পেলে রাতগুলো মেঘ হয় হাই তোলে ভোরের হাঙ্গর বাতাসের শীষগুলো পাখি হয়ে দুপুর
সেইতো শ্রেষ্ঠ দিন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল পাশাপাশি বাম হৃৎপিণ্ডের কাছে বসেছিলে তুমি চোখে কথা
প্রেমে জন্ম। জন্মে জনম। জনমে আলোক। আলোকে দিন। দিনে রাত। রাতে অন্ধকার। অন্ধকারে স্মৃতি। স্মৃতি
পরের দুয়ারে দাসী বটে আজি, তবু সে মোদেরই মা,— ভুলিবারে চাই সতত সে কথা ;
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে, নেবুর
পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী! আস্তে একটু চলনা ঠাকুর-ঝি — ওমা, এ যে ঝরা-বকুল !
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি
“এতক্ষণে”–অরিন্দম কহিলা বিষাদে “জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ,