বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অর্থ-পদ চায় বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণসিংহাসন জয়ের
ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই চেয়ে দেখো আমার ভিতরে কোথায় নেমেছে ধস, কোথায় নেমেছে
তোমার দুঃখের সাতমহল বাড়ির পুরনো বাসিন্দা বলেই আমি হৈচৈ শামিয়ানার নিচে যাই না, ভালোবাসার জন্য
করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো
আমি কি ধরিত্রীযোগ্য? এই প্রশ্নে কেঁপে ওঠে তার অসুখের ঘূণ-লাগা শরীরের অসি’-মজ্জা হাড়। তাকে ঘিরে
কবিতা লেখার রাত ভিজে গেছে অঘ্রাণের উদাসীনতায়। সব ক্ষীপ্র অত্যুৎসাহে উদ্যোগে ও কর্মকান্ডে আজ লেগে
ধুপকাঠি বেচতে বেচতে কতদুর যেতে পারে একাকী মানুষ? তাকে তো পেরোতে হবে বহু বন, বহু
আমারই ভুলে আজ প্রত্যুষে সুর্য ওঠেনি, পাঁশুটে আকাশে আলোর আকাল আমারই ভুলে মুর্ছিত মেঘ, খোঁপা-ভাঙা
ভালবাসা, সেও আজ হয়ে গেছে ষড়যন্ত্রময়। নন্দিনী! এসব কথা তোমার কখনো মনে হয়? চক্রান্তের মত
অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায় একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছি অপসৃয়মাণ উপকূলে, তিমিরে