কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায়, কেমন করে বলি! কী নির্মল নীল এই আকাশ,
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটো কথা শোনা দিকি এই নাও- এই চকচকে ছোটো, নুতন
বয়েস- আড়াই কি দুই মনটি নির্মল জুই, হালকা যেন হাওয়া মেয়ে সে মুখ-চাওয়া মায়ের কাছে
কোন দেশেতে তরুলতা সকল দেশের চাইতে শ্যামল? কোন দেশেতে চলতে গেলেই দলতে হয় রে দূর্বা
মধুর চেয়ে আছে মধুর সে এই আমার দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধূলা খাঁটি সোনার
পালকি চলে! পালকি চলে! গগন-তলে আগুন জ্বলে! স্তব্ধ গাঁয়ে আদুল্ গায়ে যাচ্ছে কারা রৌদ্রে সারা
ছিপখান তিন-দাঁড় – তিনজন মাল্লা চৌপর দিন-ভোর দ্যায় দূর-পাল্লা! পাড়ময় ঝোপঝাড় জঙ্গল-জঞ্জাল, জলময় শৈবাল পান্নার
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি
“এতক্ষণে”–অরিন্দম কহিলা বিষাদে “জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ,
সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে | সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে ;