আমার কাছে এখনো পড়ে আছে তোমার প্রিয় হারিয়ে যাওয়া চাবি কেমন করে তোরংগ আজ খোলো?
ছেলেটির রূপ ছিল কুয়াশার মতন পলকা। হাসির মধ্যে ছিল হেমন্তের পাতা ঝরানোর গান, তাকে সবাই
ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। এতো কালো মেখেছি দু হাতে এতোকাল ধরে! কখনো তোমার ক’রে, তোমাকে
আতাচোরা পাখিরে কোন তুলিতে আঁকি রে হলুদ ? বাঁশ বাগানে যাইনে ফুল তুলিতে পাইনে কলুদ
অবনী বাড়ি আছো অবনী বাড়ি আছো দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া কেবল শুনি রাতের কড়ানাড়া
আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান, দিয়ো তোমার জগৎ সভায় এইটুকু মোর স্থান আমি
অন্ধ তামস গহ্বর হতে ফিরিনু সূর্যালােকে। বিস্মিত হয়ে আপনার পানে হেরিনু নূতন চোখে। মর্ত্যের প্রাণ-রঙ্গভূমিতে
গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে’ আছি, নাহি ভরসা। রাশি রাশি ভারা ভারা
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের
মনে করো যেন বিদেশ ঘুরে মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে । তুমি যাচ্ছ পালকিতে মা