দীপিতা, তোর খেলাঘরে আমায় নিবি না কি? পড়ার ঘরে আর কত ভাই একলা বসে থাকি?
পথের ধারে ছিল পড়ে ছোট্র মতো কী-যে! ন্যাকড়া না কি? পুঁটলি কোনো শুকনো কিংবা ভিজে?
পশ্চিমা যত লুটেরা সবাই বাংলাদেশের সোনা রূপা সব লুট করে নিয়ে গেছে বার বার বাঙালির
মেঘনা নদীর তীরে যদি একটুখানি যাও, তখন তুমি দেখতে পাবে নানা রূপের নাও। ঢেউয়ের মাথায়
শেষ ট্রেন ধরব বলে একরকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি নীলবর্ণ আলোর সংকেত। হতাশার মতন
তোমার কাছে যাব বলে পথে নেমে হঠাৎ দেখি সারা শরীর উঠল ঘেমে। ঘাম ঝরছে, নাম
সেলের তালা খোলা মাত্রই এক টুকরো রোদ এসে পড়লো ঘরের মধ্যে আজ তুমি আসবে। সারা
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে।
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে। নদীর কাছে
আমি কে তা নাইবা জানলে। আমাকে মনে রাখবার দরকার কি আছে? আমাকে মনে রাখবার? বরং