মাধব! না কহ আদর বাণী, না কর প্রেমক নাম। জানয়ি ময়কো অবলা সরলা ছলনা না
কাস্তে দাও আমার এ হাতে সোনালী সমুদ্র সামনে, ঝাঁপ দেব তাতে। শক্তির উন্মুক্ত হাওয়া আমার
রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতে রানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে, রানার চলেছে রানার!
ওখানে এখন মে-মাস তুষার-গলানো দিন, এখানে অগ্নি-ঝরা বৈশাখ নিদ্রাহীন; হয়তো ওখানে শুরু মন্থর দক্ষিণ হাওয়া;
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, আঠারো বছর বয়সেই অহরহ বিরাট
যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুম: সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক, নতুন
একটি মােরগ হঠাৎ আশ্রয় পেয়ে গেলাে বিরাট প্রাসাদের ছােট্ট এক কোণে ভাঙা প্যাকিং বাক্সের গাদায়-
আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে, জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে। শালি
কৃষাণী দুই মেয়ে পথের কোণে দাঁড়িয়ে হাসে আমার পানে চেয়ে। ওরা যেন হাসি খুশীর দুইটি
গভীর রাতের কালে, কুহেলী আঁধার মূর্ছিত প্রায় জড়ায়ে ঘুমের জালে। হাসপাতালের নিবিয়াছে বাহি; দমকা হাওয়ার