মধুর চেয়ে আছে মধুর সে এই আমার দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধূলা খাঁটি সোনার
পালকি চলে! পালকি চলে! গগন-তলে আগুন জ্বলে! স্তব্ধ গাঁয়ে আদুল্ গায়ে যাচ্ছে কারা রৌদ্রে সারা
ছিপখান তিন-দাঁড় – তিনজন মাল্লা চৌপর দিন-ভোর দ্যায় দূর-পাল্লা! পাড়ময় ঝোপঝাড় জঙ্গল-জঞ্জাল, জলময় শৈবাল পান্নার
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি
“এতক্ষণে”–অরিন্দম কহিলা বিষাদে “জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ,
সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে | সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে ;
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি, পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু
আমার এ কুষ্ঠরোগ সারানো কি কলকাতা শহরের কাজ যার হাইড্রেণ্টে জল নেই। তাই আমি অকুতোভয়ে
দুঃখী লোকেদের বাড়ির চেয়ারগুলো কাঁদে তাদের পায়ের কাছে জল ছপ ছপ করে দুঃখী লোকেদের বাড়ির
আপনার এই স্বাধীন, মোহময় জীবন যা আপনি পরিপাটি ভাঁজ করে কেচেকুচে, ধুয়ে-মুছে লকারে রেখে এসেছেন