এই বাস্তুভিটায় আমার বাবার বসতি ছিলো, ছিলো আমার দাদা ও পূর্বসুরী চৌদ্দপুরুষের! এই যে মাটি—
(দুর্ভিক্ষপীড়িত সন্তানকে স্তন্যদানের চেষ্টায় হাড্ডি-চর্মসার অজানা এক মায়ের উদ্দেশ্যে) মা, ওরা বলে এটা নাকি ঈশ্বরের
ফেরাও হে চিত্তভ্রংশ জাতিস্মর ফেরাও এবার সকাম সন্ন্যাস! মৈনাক ফেরাও, ওহে ভোলানাথ ঈশান থেকেও উত্তরে
আমার একটা দুঃখনদী আছে— বেতস সাপের মতো আঁকাবাঁকা সবুজ দুঃখনদী! সে নদীর দেহ জুড়ে কাকচক্ষু
বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো? তোমার পিতা, মাতা, ভ্রাতা অথবা ভগ্নীকে? পিতা,
সখি পাতিসনে শিলাতলে পদ্মপাতা, সখি দিসনে গোলাব-ছিটে খাস্ লো মাথা! যার অন্তরে ক্রন্দন করে হৃদি
এখন আমরা দুজনে প্রচ- প্রতিকূলে দগ্ধ হচ্ছি আমাদের সময় নেই-অসময়ও নেই- নগরীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে একবারও
কিছু মনে থাকবে না জানি শেষ হয়ে যাবে সব আকাশে মিলিয়ে যাবে বিকেলের রোদ এই
কোনো একদিন উত্তপ্ত লোহার ঘর্ষণে প্রতিশ্রুতির শরীর ভেঙে প্রার্থনার শেষ উচ্চারণ বিনষ্ট বাতাসের মতো প্রবল
বন্দনা করি বন্দনা করি এদেশেরই অনার্য পিতার শ্যাম চামড়ার শ্যামল মানুষ মাটি শ্যামলার, খাঁটি মানুষ