খাইবারপাস তো দুঃখে-সুখে পেরলুম এবং মনে মনে আশা করলুম এইবার গরম কমবে। কমল বটে, কিন্তু
“…পরে শব্নমের কাছ থেকেই শুনেছি, আমি নাকি জাত-ইডিয়টের মত শুধু বিড়বিড় করে কি যেন একটা
সব ভুল ইতিহাস হয় না কিছু কিছু ভুল কবিতাও হয়ে যায়! শুক্লা পঞ্চমীর চাঁদ জাগিয়ে
“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
কী সব দিন ছিল আমার! ঐশ্বর্যময় সদাশয় একেকটি মোদক দিন। পট্টময় সময়ের ভাঁজ থেকে আলতো
তোকে বৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই শুরু করলি মেঘ নিয়ে কাড়াকাড়ি ধূসরের প্রতি তোর এই
কতোটা দুঃখ পেলে রাতগুলো মেঘ হয় হাই তোলে ভোরের হাঙ্গর বাতাসের শীষগুলো পাখি হয়ে দুপুর
যে যাবে যুদ্ধে এখনি সে উঠুক, উঠুক ঝলসে পিঙ্গল মেঘে ঢাকা শকুন সময় ঠুক্রে ঠুক্রে
দ্রোহ বিদ্রোহ বিপ্লব গণঅভ্যুত্থান দূরে থাক প্রেম কিংবা ভালবাসা চাঁদ কিংবা জ্যোৎস্না নদী নারী নিঃসর্গ
সেইতো শ্রেষ্ঠ দিন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল পাশাপাশি বাম হৃৎপিণ্ডের কাছে বসেছিলে তুমি চোখে কথা