“এতক্ষণে”–অরিন্দম কহিলা বিষাদে “জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ,
সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে | সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে ;
আমার এ কুষ্ঠরোগ সারানো কি কলকাতা শহরের কাজ যার হাইড্রেণ্টে জল নেই। তাই আমি অকুতোভয়ে
দুঃখী লোকেদের বাড়ির চেয়ারগুলো কাঁদে তাদের পায়ের কাছে জল ছপ ছপ করে দুঃখী লোকেদের বাড়ির
আপনার এই স্বাধীন, মোহময় জীবন যা আপনি পরিপাটি ভাঁজ করে কেচেকুচে, ধুয়ে-মুছে লকারে রেখে এসেছেন
পাতালে করেছি পাতার সঙ্গে সন্ধি ঝড়ের সঙ্গে হাত বাঁধা হাতকড়ায় ভেবেছে জীবন ভিডিও ক্যাসেটে বন্ধি
যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি যে ভাই এখনও
শ্রান্ত বরষা, অবেলার অবসরে, প্রাঙ্গণে মেলে দিয়েছে শ্যামল কায়া স্বর্ণ সুযোগে লুকোচুরি-খেলা করে গগনে গগনে
০১. তুমি বলেছিলে জয় হবে, জয় হবে : নাট্সী পিশাচও অবিনশ্বর নয়। জার্মানি আজ ম্রিয়মাণ
নাথু সংকটে হাঁকে তিব্বতী হাওয়া। প্রাকৃত তিমিরে মগ্ন চুমলহরি। ছঙ্গু-সায়রে কার বহিত্র যাওয়া অপর্ণ বনে