এক যে ছিল তেপান্তর করত কেবল ধু ধু। চাইলে একা থাকার দুঃখে একটি নদী শুধু।
তারপরও কথা থাকে; বৃষ্টি হয়ে গেলে পর ভিজে ঠাণ্ডা বাতাসের মাটি-মাখা গন্ধের মতন আবছায়া মেঘ
হাওয়াই দ্বীপে যাইনি, দক্ষিণ সমুদ্রের কোন দ্বীপপুঞ্জে। তবু চিনি ঘাসের ঘাগরাপরা ছায়া বরণ তার সুন্দরীদের;
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে, নেবুর
পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী! আস্তে একটু চলনা ঠাকুর-ঝি — ওমা, এ যে ঝরা-বকুল !
সোনালি আপেল, তুমি কেন আছ? চুমো খাওয়া হাসির কৌটোয় দাঁতের আভায় জ্বলা লাল ঠোঁটে বাতাস
আকাশে আষাঢ় এলো; বাংলাদেশ বর্ষায় বিহবল। মেঘবর্ণ মেঘনার তীরে-তীরে নারিকেলসারি বৃষ্টিতে ধূমল; পদ্মাপ্রান্তে শতাব্দীর রাজবাড়ি
বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো? তোমার পিতা, মাতা, ভ্রাতা অথবা ভগ্নীকে? পিতা,
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটো কথা শোনা দিকি এই নাও- এই চকচকে ছোটো, নুতন
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি