সেইতো শ্রেষ্ঠ দিন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল পাশাপাশি বাম হৃৎপিণ্ডের কাছে বসেছিলে তুমি চোখে কথা
[১ আগস্ট, ১৯৫৬ স্মরণে] আমার আলাদা কোনো জন্মদিন নেই। এই বাংলার সবুজ এক গ্রামে ঘাসফড়িং
বহুদিন যাওয়া পড়েনি তোমার কাছে তুমি নিশ্চয় খুব রেগে মেগে আর কখনোই কথা বলবে না
আমার চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা, জিহ্বা সেলাই করা আমি না দেখতে পাই, না শুনতে পাই
কত সহজেই ফুরিয়ে যায় পথ, পাথেয় ও পথিকের গন্তব্য! কত সহজেই পরিযায়ী পাখির ডানায় জমাট
তোমার বাড়ির পেছনে যে বাঁশঝাড়, তার পাশেই ঝরে পড়ে সোনালু ফুল, গন্ধমাদন ঢিবির মতো ফুলে-ফেঁপে
মানুষের পৃথিবীতে কোনো অন্ধকার নেই। মানুষের চারপাশে শুধুই আলো এবং আলেয়া! আলোর উৎসেও ভালোবাসা নামক
এই বাস্তুভিটায় আমার বাবার বসতি ছিলো, ছিলো আমার দাদা ও পূর্বসুরী চৌদ্দপুরুষের! এই যে মাটি—
(দুর্ভিক্ষপীড়িত সন্তানকে স্তন্যদানের চেষ্টায় হাড্ডি-চর্মসার অজানা এক মায়ের উদ্দেশ্যে) মা, ওরা বলে এটা নাকি ঈশ্বরের
ফেরাও হে চিত্তভ্রংশ জাতিস্মর ফেরাও এবার সকাম সন্ন্যাস! মৈনাক ফেরাও, ওহে ভোলানাথ ঈশান থেকেও উত্তরে