আমাকে স্পর্শ করো, নিবিড় স্পর্শ করো নারী। অলৌকিক কিছু নয়, নিতান্তই মানবিক যাদুর মালিক তুমি
আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়ের
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ
বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাবো বেণীমাধব, তুমি কি আর আমার কথা ভাবো? বেণীমাধব, মোহনবাঁশি তমাল
মিত্রা দিদি, তোমাকে নিয়ে কাব্য লেখেনি কোন পুরুষ কোন দিন। গলির মোড়ে বাজেনি সম্মিলিত শীৎকার,
স্বপ্নে তোকে বাড়ির দিকে এগিয়ে দিতে যাই স্বপ্নে এসে দাঁড়াই পাড়ার মোড়ে কখন তুই ফিরবি
গাছেদের নাম গাছ ধুলোদের নাম ধুলো নদীদের নাম বলতে পারবে গ্রামবাসীরা কিন্তু ঘরের নাম ঘর
অতল, তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারিনি বলে হৃদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে করো আনন্দ আয়োজন
আমি সেই জগতে হারিয়ে যেতে চাই, যেথায় গভীর-নিশুত রাতে জীর্ণ বেড়ার ঘরে নির্ভাবনায় মানুষেরা ঘুমিয়ে
আমার জবাব পেলাম। তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি কিনা? না! আমরা যে সমাজের জীব তারই ধারায়