পরের দুয়ারে দাসী বটে আজি, তবু সে মোদেরই মা,— ভুলিবারে চাই সতত সে কথা ;
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে, নেবুর
পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী! আস্তে একটু চলনা ঠাকুর-ঝি — ওমা, এ যে ঝরা-বকুল !
সোনালি আপেল, তুমি কেন আছ? চুমো খাওয়া হাসির কৌটোয় দাঁতের আভায় জ্বলা লাল ঠোঁটে বাতাস
আকাশে আষাঢ় এলো; বাংলাদেশ বর্ষায় বিহবল। মেঘবর্ণ মেঘনার তীরে-তীরে নারিকেলসারি বৃষ্টিতে ধূমল; পদ্মাপ্রান্তে শতাব্দীর রাজবাড়ি
বলো আমাকে রহস্যময় মানুষ, কাকে তুমি সবচেয়ে ভালবাসো? তোমার পিতা, মাতা, ভ্রাতা অথবা ভগ্নীকে? পিতা,
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটো কথা শোনা দিকি এই নাও- এই চকচকে ছোটো, নুতন
বয়েস- আড়াই কি দুই মনটি নির্মল জুই, হালকা যেন হাওয়া মেয়ে সে মুখ-চাওয়া মায়ের কাছে
কোন দেশেতে তরুলতা সকল দেশের চাইতে শ্যামল? কোন দেশেতে চলতে গেলেই দলতে হয় রে দূর্বা
পালকি চলে! পালকি চলে! গগন-তলে আগুন জ্বলে! স্তব্ধ গাঁয়ে আদুল্ গায়ে যাচ্ছে কারা রৌদ্রে সারা