(দুর্ভিক্ষপীড়িত সন্তানকে স্তন্যদানের চেষ্টায় হাড্ডি-চর্মসার অজানা এক মায়ের উদ্দেশ্যে) মা, ওরা বলে এটা নাকি ঈশ্বরের
ফেরাও হে চিত্তভ্রংশ জাতিস্মর ফেরাও এবার সকাম সন্ন্যাস! মৈনাক ফেরাও, ওহে ভোলানাথ ঈশান থেকেও উত্তরে
আমার একটা দুঃখনদী আছে— বেতস সাপের মতো আঁকাবাঁকা সবুজ দুঃখনদী! সে নদীর দেহ জুড়ে কাকচক্ষু
এখন আমরা দুজনে প্রচ- প্রতিকূলে দগ্ধ হচ্ছি আমাদের সময় নেই-অসময়ও নেই- নগরীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে একবারও
কিছু মনে থাকবে না জানি শেষ হয়ে যাবে সব আকাশে মিলিয়ে যাবে বিকেলের রোদ এই
কোনো একদিন উত্তপ্ত লোহার ঘর্ষণে প্রতিশ্রুতির শরীর ভেঙে প্রার্থনার শেষ উচ্চারণ বিনষ্ট বাতাসের মতো প্রবল
আকাশে তোমার মুক্তি; ? যে কৈলাশ বেঁধেছ ভাস্কর তোমার উর্মিল নৃত্যে, নীলিমা সে নৃত্যের সঙ্গিনী
অনেক দিনের অনেক যত্নে কমিয়েছি সন্ত্রাস। এদিকে আমার ছুটি শেষ হ’ল প্রায়, আজ তিনটেতে গাছ
আমি নহি পুরূরবা। হে উর্বশী, ক্ষনিকের মরালকায় ইন্দ্রিয়ের হর্ষে, জান গড়ে তুলি আমার ভুবন? এসো
Ardió el sol como nunca. Campos de Matanzas en rojo vivo. Tomamos agua del chorro