সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলাম কিনে এনেছিলাম আকাশী রঙের বিলিতি হাওয়াই চিঠি সে চিঠির অক্ষরে
মদ খাওয়ার সময় আমি কোন রিস্ক নিই না। অফিস থেকে সন্ধ্যাবেলা বাড়ি ফিরে দেখি গিন্নি
আবার ফিরে এলাম, আর একটু খোঁজ নিয়ে এলেই ভাল হত। বাড়ির সামনের দিকে একটা কয়লার
স্মাইল প্লিজ, আপনারা প্রত্যেকেই একটু হাসুন, দয়া করে তাড়াতাড়ি, তা না হলে রোদ পড়ে গেলে
এক কোটি বছর হয় তোমাকে দেখি না একবার তোমাকে দেখতে পাবো এই নিশ্চয়তাটুকু পেলে- বিদ্যাসাগরের
বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অর্থ-পদ চায় বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণসিংহাসন জয়ের
ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই চেয়ে দেখো আমার ভিতরে কোথায় নেমেছে ধস, কোথায় নেমেছে
তোমার দুঃখের সাতমহল বাড়ির পুরনো বাসিন্দা বলেই আমি হৈচৈ শামিয়ানার নিচে যাই না, ভালোবাসার জন্য
করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো
আমি কি ধরিত্রীযোগ্য? এই প্রশ্নে কেঁপে ওঠে তার অসুখের ঘূণ-লাগা শরীরের অসি’-মজ্জা হাড়। তাকে ঘিরে