কবিতা লেখার রাত ভিজে গেছে অঘ্রাণের উদাসীনতায়। সব ক্ষীপ্র অত্যুৎসাহে উদ্যোগে ও কর্মকান্ডে আজ লেগে
ধুপকাঠি বেচতে বেচতে কতদুর যেতে পারে একাকী মানুষ? তাকে তো পেরোতে হবে বহু বন, বহু
আমারই ভুলে আজ প্রত্যুষে সুর্য ওঠেনি, পাঁশুটে আকাশে আলোর আকাল আমারই ভুলে মুর্ছিত মেঘ, খোঁপা-ভাঙা
ভালবাসা, সেও আজ হয়ে গেছে ষড়যন্ত্রময়। নন্দিনী! এসব কথা তোমার কখনো মনে হয়? চক্রান্তের মত
হে নবীনা, এই মধ্য-ম্যানহাটানে বাতাসের ঝাপটায় তোমার হঠাৎ খুলে যাওয়া উদ্দাম চুল আমার বুকের ‘পর
বাঘ কিংবা ভালুকের মতো নয়, বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা হাঙরের দল নয় না, কোনো উপমায়
বন্য শূকর খুঁজে পাবে প্রিয় কাদা মাছরাঙা পাবে অন্বেষণের মাছ, কালো রাতগুলো বৃষ্টিতে হবে শাদা
ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে
অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায় একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছি অপসৃয়মাণ উপকূলে, তিমিরে
গলির মোড়ে বেলা যে পড়ে এল পুরনো সুর ফেরিওলার ডাকে, দূরে বেতার বিছায় কোন্ মায়া