এখন আমরা দুজনে প্রচ- প্রতিকূলে দগ্ধ হচ্ছি আমাদের সময় নেই-অসময়ও নেই- নগরীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে একবারও
কিছু মনে থাকবে না জানি শেষ হয়ে যাবে সব আকাশে মিলিয়ে যাবে বিকেলের রোদ এই
কোনো একদিন উত্তপ্ত লোহার ঘর্ষণে প্রতিশ্রুতির শরীর ভেঙে প্রার্থনার শেষ উচ্চারণ বিনষ্ট বাতাসের মতো প্রবল
বন্দনা করি বন্দনা করি এদেশেরই অনার্য পিতার শ্যাম চামড়ার শ্যামল মানুষ মাটি শ্যামলার, খাঁটি মানুষ
fsfsfsfs
দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি
“এতক্ষণে”–অরিন্দম কহিলা বিষাদে “জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ,
সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে | সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে ;
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;- তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি, পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু
শ্রান্ত বরষা, অবেলার অবসরে, প্রাঙ্গণে মেলে দিয়েছে শ্যামল কায়া স্বর্ণ সুযোগে লুকোচুরি-খেলা করে গগনে গগনে