” ফুরিয়ে আসা জীবন ধারার রসে। চাকরী করে দুটো পয়সা এনে ছোট একটা ঘর বেঁধে
” সকাল সাতটার সময় রূপাইকুড়ার থানার সামনে হেরম্বের গাড়ি দাঁড়াল। বিস্না পর্যন্ত মোটরে আসতে তার
বেশি দিনের কথা নয়, হালের। পড়িমড়ি হয়ে শেয়ালদায় আসাম লিঙ্কে উঠেছি। বোলপুরে নাবব। কামরা ফাঁকা।
ভয়ঙ্কর সর্দি হয়েছে। নাক দিয়ে যা জল বেরচ্ছে তা সামলানো রুমালের কর্ম নয়। ডবল সাইজের
খাইবারপাস তো দুঃখে-সুখে পেরলুম এবং মনে মনে আশা করলুম এইবার গরম কমবে। কমল বটে, কিন্তু
“…পরে শব্নমের কাছ থেকেই শুনেছি, আমি নাকি জাত-ইডিয়টের মত শুধু বিড়বিড় করে কি যেন একটা
সব ভুল ইতিহাস হয় না কিছু কিছু ভুল কবিতাও হয়ে যায়! শুক্লা পঞ্চমীর চাঁদ জাগিয়ে
“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
কী সব দিন ছিল আমার! ঐশ্বর্যময় সদাশয় একেকটি মোদক দিন। পট্টময় সময়ের ভাঁজ থেকে আলতো
তোকে বৃষ্টি দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই শুরু করলি মেঘ নিয়ে কাড়াকাড়ি ধূসরের প্রতি তোর এই