ও মা এখনো দাঁড়িয়ে আছিস!’ এর পরও মিলি দাঁড়িয়ে রইলো। জানলা বন্ধ করার জন্যে অনেকক্ষণ
এখানে দেখি ছোট ছেলেরা হো-হো করে স্কুলে যায়, আসন খাতা বই দু-হাতে বুকে জড়িয়ে নিয়ে।
উত্তর থেকে বড়নদী দেখানে ব্রহ্মপুত্রের জলে এসে মিলেছে ঠিক সেই বাঁকের মুখেই কতকালের পুরানো ডিমরুয়ার
শিল্প ও ভাষা “বীণাপুস্তকরঞ্জিতহস্তে ভগবতি ভারতি দেবি নমস্তে॥” বাঙ্গলা ভাষা যে বোঝে সেই এ শ্লোকটা
সেকালে শখ বলে একটা জিনিস ছিল। সবার ভিতরে শখ ছিল, সবাই ছিল শৌখিন। একালে শৌখিন
এক রাজার দুই রানী, দুও আর সুও। রাজবাড়িতে সুওরানীর বড়ো আদর, বড়ো যত্ন। সুওরানী সাতমহল
যদি আবার জন্মাই ভালোবেসে বৃক্ষ হবো-পাতার বিনয় ঘাস হবো নিরন্তর-পায়ের আশ্রয় ভালোবেসে বাতাসের বেগ হবো
যতক্ষণ না আমাতে যুক্ত হও প্রবহমান পদ্মা পলির উর্বর আমি হয়ে উঠবো না সুন্দরবন যতক্ষণ
লালন ফকির লালন ফকিরের সকল কথা ভাল করিয়া জানি না, যাহা জানি তাহাও কিম্বদন্তীমূলক। লালন
কশ্চিৎ কান্তা-বিরহগুরুণা—স্বাধিকারপ্রমত্তঃ, শাপেনাস্তং–গমিতমহিমা-বৰ্ষভোগ্যেন ভর্ত্তুঃ– ললিতগভীর সুমধুর কণ্ঠে একটু বা টেনে-টেনে আবৃত্তি করতেকরতে যে যুবকটি কল্লোল-আফিসে