ঘড়িটা বুঝি ঠিকমত চলিতেছে না। দুইটা-কুড়িতে কলিকাতার ট্রেন আসিবে। সেই গাড়িতেই প্রদীপের ফিরিবার কথা। আসিয়া
দুপুরবেলা দোতলার বারান্দায় ইজিচেয়ার পেতে শীতের রোদ পোহাচ্ছিলুম, শুনলুম আমার নামে কোত্থেকে এক টেলি এসেছে।
তোমার শীতললক্ষ্যা আর আমার ময়ূরাক্ষী তোমার ভৈরব আর আমার রূপনারায়ন তোমার কর্ণফুলী আর আমার শিলাবতী
তারা এসেছিল তারা চলে গেছে কত ভেঙে গড়ে, রেখে স্মৃতি তার | তারা গেয়েছিল গান
ভুলো কে জানো? ভুলো মানুষ নয়। ভুলো কুকুরও নয়। ভুলো মানে ভ্রান্তি—যা ভোলায়; মিথ্যে ভুলে
শম্ভু বাজিকর এ মেলায় প্রতি বৎসর আসে। তাহার বসিবার স্থানটা মা কঙ্কালীর এস্টেটের খাতায় চিরস্থায়ী
হাঁসুলী বাঁকের ঘন জঙ্গলের মধ্যে রাত্রে কেউ শিস দিচ্ছে। দেবতা কি যক্ষ কি রক্ষ বোঝা
ধরিতে গেলে জুয়ার দিকে মাখনের ঝোঁক ছিল ছেলেবেলা হইতেই। তার অল্প বয়সের খেয়াল আর খেলাগুলির
বিবাহের এক বছর পরে ধীরাজ অন্ধ হইয়া গেল। চোখের একটা অসুখ আছে, বড় বিপজ্জনক অসুখ,
বিবাহের রাত্রেই নিবারণ ডান দিকের স্ত্রীকে বাঁ দিকে চালান করিয়া দিয়াছিল। তুমি এ পাশে এসে