“আইজকা অনেক রোদ, আগুনের লাহান! দরদর কইরা ঘামতাছি। কয়টা ট্যাকা বেশি দিয়েন, মামা!” “আজ আকাশটা
প্রেমে জন্ম। জন্মে জনম। জনমে আলোক। আলোকে দিন। দিনে রাত। রাতে অন্ধকার। অন্ধকারে স্মৃতি। স্মৃতি
কত সহজেই ফুরিয়ে যায় পথ, পাথেয় ও পথিকের গন্তব্য! কত সহজেই পরিযায়ী পাখির ডানায় জমাট
তোমার বাড়ির পেছনে যে বাঁশঝাড়, তার পাশেই ঝরে পড়ে সোনালু ফুল, গন্ধমাদন ঢিবির মতো ফুলে-ফেঁপে
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে) শ্যামলদা সাংবাদিক মানুষ। অনিয়ম, অযত্ন ও অতিশ্রমে স্বাস্থ্য যেনো শীতকালের শীর্ণ মগড়া
ক্রিটোর বাড়িতে অনুষ্ঠিত জ্ঞানসভায় নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করে নিজগৃহে ফিরলেন মহামতি সক্রেটিস। ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরটাকে
মানুষের পৃথিবীতে কোনো অন্ধকার নেই। মানুষের চারপাশে শুধুই আলো এবং আলেয়া! আলোর উৎসেও ভালোবাসা নামক
এই বাস্তুভিটায় আমার বাবার বসতি ছিলো, ছিলো আমার দাদা ও পূর্বসুরী চৌদ্দপুরুষের! এই যে মাটি—
(দুর্ভিক্ষপীড়িত সন্তানকে স্তন্যদানের চেষ্টায় হাড্ডি-চর্মসার অজানা এক মায়ের উদ্দেশ্যে) মা, ওরা বলে এটা নাকি ঈশ্বরের
কেউ নেই – না সামনে না পিছনে দু’পাশেও শূন্যতা বিশাল তবে কি আমি একা? কবিরা