কি অদ্ভুত দু’চোখে উন্মাদ লক্ষীছাড়া
দু’চোখে কী নেশা মদ ভরপুর দুই পেয়ালা
ওৎ পেতে থাকা কাম শিকারি কাশবনে
সন্ন্যাসী সেখানে ব্রত জীবনে
অসহায় সন্ন্যাসী নেশার ঘোরে দিশেহারা।
শিকারির বাহুডোরে পেয়ালার ভাগাভাগি হবে কি?
কামজ্বরে কাশবন পুড়ে ছাড়খার হবে নাকি।
এক ফোটা ব্রতজীবন সঞ্চিত সারা জীবনের
খেরো পথে চলা পথ যেনো একফোটা জল চামিচের,
কাম লোভ মোহে, নাচে জল চামিচের দুধারে
খেরো পথে সন্ন্যাসীর সংযম বিহারে।
কবোষ্ণ কটিদেশে কৃষ্ণ শাড়ির চকমক
দুষ্টু বাতাশে উড়ে শাড়ি মধুরঙ রূপ ঝকমক
বড় একখান লাল টিপ যেনো আকাশের তারাবাতি
তৃষিত বুকে জল টলমল আঁধারের ভাতি
জাবর কাটা খচ্চরের মত ধন্দে পড়ে যায় সন্ন্যাসী
মধুরঙ রুপ ঝকমক দুর্দম প্রেম সর্বনাশি।
অদূরে সন্ন্যাসী সন্তর্পণ যাত্রাপথে
কামশিকারির উদাসী চাহনির নিশানা হয়ে উঠে
ক্ষুধার্ত শিকারির মুখে, বুড়ো খচ্চর!!!
চামিচের জল নড়ে নড়বড়
দু’চোখে তার দু’পেয়ালা মদ ভরপুর
যেন ঊর্বশীর কাম তীর্যক হাসি রঙধনুর।
তার মধুরঙ নরম নাংগা বাহুডোর যেনো
ক্ষুধার্থ বাঘিনির যম থাবা
বাকা ঠোঁটের উষ্ণ চুম্বন যেনো নিষ্ঠুর বাঘিনির
শক্ত চোয়ালের করোটি কুড়মুড় সাবাড়।
কি অদ্ভুত দু’চোখে উন্মাদ লক্ষীছাড়া
অসহায় সন্যাসী নেশার ঘোরে দিশেহারা।

