“স্বাগতম পৃথিবীর প্রথম মানুষের চিড়িয়াখানায়” চিড়িয়াখানার ভেতর অগণন মানুষের ভীড়, এখানে রয়েছে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ-
মস্ত এক কৌটার ভেতর আমি যেন কাফকার পোকা আমার জন্য তাতে অক্সিজেন সামান্যই, সহসা অনুভব
এখানে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে মৃত গাছের সারি সাগরের হিম জলে দাউ দাউ জ্বলছে আগুন মৃতদের আতর
এক অদ্ভুত দানব এসেছে নগরে যে সব কিছু খেতে চায় সে খেতে চায় রুপালি জ্যোছনা,
নগরের কোন এক গলিতে পাথর মানবের দেখা সে সময় সে নির্বিকার সিগারেট ফুঁকছিলো নগরীর অর্ধেক
কিছু বৃষ্টি ফোঁটা ও নোনাজল সম্মুখ সমরে পরস্পর শান্তির পতাকা উড়ায় অস্তিত্বের প্রগাঢ় আহবানে তারা
কাল রাতে এক আলৌকিক স্বপ্ন দেখেছি একটি সুসজ্জিত রকেট এসেছে আমায় নিয়ে যেতে অদ্ভূত সুন্দর
মসজিদে হররোজ দেখা মেলে তার সৌম্য, শান্ত, জ্যোতির্ময় মুখমন্ডল মনোহর যেন বেহেশতি জেল্লা ঠিকরে পড়ে
একসারি খালি বোতল খেয়ে বাঁচে পানি কিংবা বার হাউজে রেড ওয়াইনের কুলীন গ্লানি জীবনে প্রাণের
কিছু দূর্বিনীত পাপাচার সরীসৃপের মতো ঘুরে বেড়ায় খাটের নিচে, আলনায়, প্যান্টে, পেটিকোটে স্মৃতির বিবর্ণ করিডোরে,