কি অদ্ভুত দু’চোখে উন্মাদ লক্ষীছাড়া দু’চোখে কী নেশা মদ ভরপুর দুই পেয়ালা ওৎ পেতে থাকা
আমি দেখেছি এক অশ্লীল লোক সমাজচ্যুত সে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে তবু সে সমাজেই থাকে, এই
বাস্তবতা দেখতে কেমন? ফুলের মতোন? গানের মতোন পাখির মতোন অনাহারী শিশুর মতোন? একজন দিনমজুর যে
কবিতার সাথে আমার পরিচয় গ্রামীণ অমল বাতাসে সুতীব্র তেজ নিয়ে পরম পলিমাটি ভেদ করে বরবটি,
শহরের মাথা ছাড়িয়ে উঁচু বেদীর ওপরে সুখী রাজকুমারের প্রতিমূর্তি দাঁড় করানো ছিল। মূর্তিটার সারা গায়ে
মুকুটশোভিত দুই রাজা, এবং একজন যে একা দণ্ডায়মান তার মাথা ঘিরে সবুজ লরেলখচিত মুকুটমাল্যভার নেই,
চোখের আকাঙ্ক্ষা ওড়বার শরীরের অভিলাষ অন্ধ হবার দুজনেই ছিন্ন করে অমোঘ শর্ত হয়ে যায় দুটো
একজন নির্জনতা সংগ্রাহক যিনি একটি নিভৃত জীবন খুঁজে ফেরেন কিন্তু কোথাও নির্জনতা নেই চারদিকে বিরক্তিকর
এই শহরে কেউ থাকেনা এই শহরে থাকেনা অন্ন,মহাশয় ন্যায়বিচার এই শহরে থাকেনা সুশাসন, অক্সিজেন বেঁচে
যদি দু:খগুলো জলের ডিম্ব পদ্ম পাতায় জমে আগলে রেখো একলা থেকো পুষ্প পরাগ মনে কজনই