যদি আবার জন্মাই ভালোবেসে বৃক্ষ হবো-পাতার বিনয় ঘাস হবো নিরন্তর-পায়ের আশ্রয় ভালোবেসে বাতাসের বেগ হবো
যতক্ষণ না আমাতে যুক্ত হও প্রবহমান পদ্মা পলির উর্বর আমি হয়ে উঠবো না সুন্দরবন যতক্ষণ
কোনোদিন কেউ হেরে যায় আর কোনোদিন কেউ জেতে, একদিন আমি হেরে যাই খুব শুয়ে থাকি
কশ্চিৎ কান্তা-বিরহগুরুণা—স্বাধিকারপ্রমত্তঃ, শাপেনাস্তং–গমিতমহিমা-বৰ্ষভোগ্যেন ভর্ত্তুঃ– ললিতগভীর সুমধুর কণ্ঠে একটু বা টেনে-টেনে আবৃত্তি করতেকরতে যে যুবকটি কল্লোল-আফিসে
ঘড়িটা বুঝি ঠিকমত চলিতেছে না। দুইটা-কুড়িতে কলিকাতার ট্রেন আসিবে। সেই গাড়িতেই প্রদীপের ফিরিবার কথা। আসিয়া
দুপুরবেলা দোতলার বারান্দায় ইজিচেয়ার পেতে শীতের রোদ পোহাচ্ছিলুম, শুনলুম আমার নামে কোত্থেকে এক টেলি এসেছে।
তোমার শীতললক্ষ্যা আর আমার ময়ূরাক্ষী তোমার ভৈরব আর আমার রূপনারায়ন তোমার কর্ণফুলী আর আমার শিলাবতী
তারা এসেছিল তারা চলে গেছে কত ভেঙে গড়ে, রেখে স্মৃতি তার | তারা গেয়েছিল গান
ভুলো কে জানো? ভুলো মানুষ নয়। ভুলো কুকুরও নয়। ভুলো মানে ভ্রান্তি—যা ভোলায়; মিথ্যে ভুলে
শম্ভু বাজিকর এ মেলায় প্রতি বৎসর আসে। তাহার বসিবার স্থানটা মা কঙ্কালীর এস্টেটের খাতায় চিরস্থায়ী