অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

উপন্যাস, জীবনীগ্রন্থ, স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ, গল্পগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ, নাটক
উপন্যাস- বেদে (১৯২৮), কাকজোৎস্না (১৯৩১), বিবাহের চেয়ে বড় (১৯৩১), প্রাচীর ও প্রান্তর (১৯৩২), প্রথম কদমফুল (১৯৬১) কাব্যগ্রন্থ- অমাবস্যা (১৯৩০), আমরা (১৯৩৩), প্রিয়া ও পৃথিবী (১৯৩৬), নীল আকাশ (১৯৪৯), আজন্মসুরভী (১৯৫১-৫২), পূর্ব-পশ্চিম (১৯৬৯), উত্তরায়ণ (১৯৭৪) গল্পগ্রন্থ- টুটা-ফুটা (১৯২৮), অকাল বসন্ত (১৯৩২), অধিবাস (১৯৩২), যতনবিবি (১৯৪৪), কাঠ খড় কেরোসিন (১৯৪৫), চাষাভুষা (১৯৪৭), সারেঙ (১৯৪৭), হাড়ি মুচি ডোম (১৯৪৮), একরাত্রি (১৯৬১) স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ- কল্লোলযুগ (১৯৫০), জৈষ্ঠের ঝড় জীবনীগ্রন্থ- পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ (চার খন্ড ১৯৫২-১৯৫৭), বীরেশ্বর বিবেকানন্দ (তিন খণ্ড, ১৯৫৮-৬৯) উদ্যত খড়্গ ( অখণ্ড সংস্করণ, মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা) পরমাপ্রকৃতি শ্রী শ্রী সারদামণি অখণ্ড অমিয় শ্রী গৌরাঙ্গ
জগৎ্তারিণী পুরস্কার শরৎচন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার রবীন্দ্র পুরস্কার
সাহিত্যিক পরিচিতি
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত এর জন্ম নোয়াখালীতে, আদি নিবাস যদিও মাদারীপুরে।
শিক্ষা ও কর্মজীবন
অচিন্ত্যকুমারের শৈশব ও বাল্যজীবন কাটে নোয়াখালীতে। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাও এখানে সম্পন্ন হয়। ১৯১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর তিনি কলকাতায় অগ্রজ জিতেন্দ্রকুমার সেনগুপ্তের নিকট চলে যান এবং সাউথ সুবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০), সাউথ সুবার্বন কলেজ (বর্তমানে আশুতোষ কলেজ) থেকে আইএ (১৯২২), ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সসহ বি এ (১৯২৪) এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ (১৯২৬) ও ল’ (১৯২৯) পাস করেন।
১৯৩১ সালে তিনি অস্থায়ী মুন্সেফ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে সাবজজ, জেলাজজ ও ল’ কমিশনের স্পেশাল অফিসার পদে উন্নীত হয়ে ১৯৬০ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯২১ সালে প্রবাসী পত্রিকায় ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনামে অচিন্ত্যকুমারের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়।
অচিন্ত্যকুমার ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশনার দায়িত্ব নেন। তিনি বিচিত্রায়ও কিছুদিন কাজ করেন। তাঁর স্মৃতিচারণমূলক রচনা কল্লোল যুগ (১৯৫০) পাঠক-মহলে বেশ সাড়া জাগায়। সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি জগত্তারিণী পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৫) ও শরৎচন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৫) লাভ করেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
