আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ
ছোটগল্প- স্বগতমৃত্যুর পটভূমি(১৯৬৪), চিলেকোঠায় (১৯৬৯), নিরুদ্দেশ যাত্রা (১৯৬৯), অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬), খোঁয়ারি (১৯৮২), জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল (১৯৯৭), দুধভাতে উৎপাত (১৯৮৫) দোজখের ওম (১৯৮৯) উপন্যাস- চিলেকোঠার সেপাই (১৯৭৫), খোয়াবনামা (১৯৯৪),
হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭৬), বাংলা (একাডেমি পুরস্কার (১৯৮২) আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৭), আনন্দ পুরস্কার( ১৯৯৬), সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার ((১৯৯৬), কাজী মাহবুবুল্লাহ স্বর্ণপদক (১৯৯৬), একুশে পদক (১৯৯৮), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (২০১৪)
সাহিত্যিক পরিচিতি
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ছিলেন বাংলাদেশী ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, এবং অধ্যাপক। তিনি একজন স্বল্পপ্রজ লেখক ছিলেন। বাস্তবতার নিপুণ চিত্রণ, ইতিহাস ও রাজনৈতিক জ্ঞান, গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও সূক্ষ্ম কৌতুকবোধ তার রচনাকে দিয়েছে ব্যতিক্রমী সুষমা। তাকে সমাজবাস্তবতার অনন্যসাধারণ রূপকার বলা হয়েছে। তার রচনাশৈলী স্বকীয় ও সংলাপে কথ্যভাষার ব্যবহার বাংলা কথাশিল্পে অনন্যসাধারণ।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
আখতারুজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের গটিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯৪৯ সালে ঢাকার সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স স্কুলে। ১৯৫১ সালে তৃতীয় শ্রেণীতে বা পড়েই ইলিয়াস ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। পরবর্তিতে ঢাকা ছেড়ে সপরিবারে বগুড়ায় স্থানান্তরের ফলে সেখানে তিনি ১৯৫২ সালে বগুড়া জিলা স্কুলে ভর্তি হন এবং এখান থেকেই ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন। ১৯৬০ সালে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ইলিয়াস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে বাংলায় স্নাতক ও ১৯৬৪ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন।
কর্মজীবন
তিনি কর্মজীবন শুরু করেন করটিয়া সাদত কলেজে। এরপর জগন্নাথ কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন।
১৯৭৯ সালে সহকারী আধ্যাপক এবং ১৯৮৪ সালে সহযোগী আধ্যাপক হিসাবে তার পদোন্নতি হয়।
এরপর ১৯৮৭ সালে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হিসাবে যোগ দেন।[সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ, মফিজউদ্দীন শিক্ষা কমিশনের বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা কলেজের বাংলার অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পরিচিত মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেন, গোপনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।
